মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব

নাম

সংক্ষিপ্ত জীবনী

ছবি

অতুলকৃষ্ণ সাহা

১৯২১ সালে চুয়াডাঙ্গায় জন্মগ্রহণ করেন অতুলকৃষ্ণ সাহা। বাবা রাখালচন্দ্র সাহা। ১৯৪২ সালে ভারত ছাড় আন্দোলনে তিনি গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ায় ঔপনিবেশিক শক্তি তাঁকে কারাদন্ড প্রদান করে।


 


 


 


 

নন্তহরি মিত্র

অনন্তহরি মিত্র ১৩১১ বঙ্গাব্দের (১৯০৬ খ্রিষ্টাব্দ) ২৪ পৌষ চুয়াডাঙ্গার বেগমপুর মামা বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে তিনি সক্রিয় ভাবে অংশ নেন। ১৯২৬ সালে অস্ত্র ও গোলাবারুদ মামলায় তার দশ বছর কারাদন্ড হয়। একই বছরে পুলিশের ডেপুটি সুপাররিনটেনডেন্ট ভূপেন চট্টোপাধ্যায় হত্যা মামলায় প্রমোদ চৌধুরীসহ তাকে ফাঁসি দেয়া হয়।


 


 


 


 

অমিয়কুমার রায়

অমিয়কুমার রায়ের জন্ম চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার হাসান হাটি গ্রামে ১৯০৪ সালে। স্বাধীনতা সংগ্রামে নদীয়ার অগ্রণী নেতাদের মধ্যে অমিয়কুমার এর নাম উল্লেখযোগ্য। চট্টগ্রামে অস্ত্রাগার লুটের পর অন্যান্য কংগ্রেস নেতৃবৃন্দের সঙ্গে তিনিও ১৯৩০ সালে গ্রেপ্তার হন। ১৯৪১ সালে তিনি নদীয়া জেলা কংগ্রেস এর সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।


 


 


 


 

আকরাম আহমেদ, বীরোত্তম

১৯৪৬ সালের ৯ জানুয়ারি তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ ও মা মাফিয়া খাতুন। চুয়াডাঙ্গা শহরের কবরী রোডের বাসিন্দা ছিলেন। ৩ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে আকরাম আহমেদ সঙ্গীদের নিয়ে চট্টগ্রামে পতেঙ্গা তেল সংরক্ষণাগার ধ্বংস করে দেন। পাকিস্তানি বাহিনীর বিরম্নদ্ধে তিনি বীরোচিত বিমান হামলা পরিচালনা করে শক্র বাহিনীর ব্যাপক ক্ষতিসাধন করেন। একই বছরে তিনি এয়ারক্রাফটসহ ঢাকায় এসে পৌঁছান। মুক্তিযুদ্ধে অসাধারণ অবদানের জন্যে তিনি বীরোত্তম খেতাবে ভূষিত হন।


 


 


 


 

আসহাব-উল-হক

জন্ম ১৯২১ সালের ৪ঠা ডিসেম্বর। চুয়াডাঙ্গা শহরের আহম্মদ আলী জোয়ার্দ্দার ও হাজেরা খাতুন দম্পতির প্রথম পুত্র। ১৯৪৯ থেকে ১৯৫১ সাল পর্যন্ত ঢাকায় মিডফোর্ড হাসপাতালে চিকিৎসা পেশায় যুক্ত থাকেন। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে চুয়াডাঙ্গায় স্থানীয়ভাবে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ১৯৭০ সালে পূর্ব-পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৭১ সালে জনসমর্থন আদায়ের জন্য জাতিসংঘে পাঠানো প্রতিনিধি দলের সদস্য মনোনীত হয়ে ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশ সফর করেন।


 


 


 


 

ইউনুস আলী এ্যাডভোকেট

ইউনুস আলী এ্যাডভোকেট ১৯২৪ সালের ২১ অক্টোবর দামুড়হুদা থানার মুনশীপুর গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। মা মোসাম্মৎ আমীর-উন-নিছা, বাবা মোঃ নাসিরউদ্দিন আহাম্মদ। ছাত্র জীবনেই সক্রিয়ভাবে বৃটিশ খেদাও ও ভারত ছাড় আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। ১৯৭০ সালে প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের বিশিষ্ট সংগঠক।


 


 


 


 

ইসলাম উদ্দীন মালিক

১৯৪০ সালের ১৩ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন। বাবা ডা. মালিক মাহতাবউদ্দীন আহামদ, মা মোসাম্মৎ রাবেয়া মালিক। তিনি ত্রাণ মন্ত্রণালয় ও সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। শিক্ষার প্রসার ও উন্নয়নের জন্য তিনি বিভিন্ন শিক্ষায়তন প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনায় উল্লেথযোগ্য ভূমিকা পালন করেন।


 


 


 


 

ফিরোজ বারী মালিক

১৮৮২ সালের ৫ জুন চুয়াডাঙ্গায় জন্মগ্রহণ করেন। বাবা আফতাব হোসেন জোয়ার্দ্দার, মা ফাতেমা বেগম। তিনি পূর্ব-পাকিস্তান শিশু কল্যাণ পরিষদ ও তার অধীনস্থ বিকলাঙ্গ শিশু চিকিৎসা কেন্দ্র এবং শিল্পায়ন ইন্ডাষ্ট্রিয়াল হোমের সভানেত্রী ছিলেন। কর্মজীবনে কৃতিত্বের জন্য তঘমায়ে পাকিস্তান খেতাবে ভূষিত হন। তিনি ১৯৭৬ থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির মহিলা বিষয়ক সহকারী ছিলেন।


 


 


 


 

বশিরা মান্নান

১৯৩৭ সালের ২ ফেব্রম্নয়ারি চুয়াডাঙ্গার সম্ভ্রান্ত মালিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। মা ফিরোজা বারী, বাবা এম. এ. বারী। ১৯৬৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতিমান অধ্যাপিকা। চুয়াডাঙ্গার ডা. এ. এম. মালিক চক্ষু হাসপাতালের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও শিশু কল্যাণ পরিষদের সম্পাদক। বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে যুক্ত থেকে সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখেন।


 


 

  

মোসলেম আলী বিশ্বাস

সাংবাদিক মোসলেম আলী বিশ্বাস ১৯২৮ সালে আলমডাঙ্গা উপজেলার খুদিয়াখালী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪৪ সালে তিনি ভি. জে উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এন্ট্রান্স পাস করেন। ১৯৪৬ সালে কলিকাতা রিপন কলেজ থেকে আই, কম পাস করেন। এরপর সিটি কলেজ থেকে যৌথভাবে কলা ও বাণিজ্য বিভাগে স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন। ১৯৪৭ সালে তিনি কলিকাতার দৈনিক ইত্তেহাদের মাধ্যমে সাংবাদিকতা শুরু করেন। ১৯৫০ সালে শিক্ষানবীস সহ-সম্পাদক হিসেবে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় যোগ দেন। পরবর্তীতে তিনি এই পত্রিকার বার্তা সম্পাদক পদে উত্তীর্ণ হন। ১৯৬২ সালে দৈনিক জেহাদ পত্রিকার বার্তা সম্পাদক পদে যোগ দেন। তিনি ১৯৬৩ সালে বৃটিশ হাই কমিশনের তথ্য বিভাগে যোগ দিয়ে ""বৃটিশ দর্পন'' ও ""কমনওয়েলথ টু-ডে'' সম্পাদনা করেন। ১৯৭৩ সালে তিনি দৈনিক জনপদের সিনিয়র সহকারী সম্পাদক পদে যোগ দেন। পরবর্তীতে ১৯৭৬ সলে রাজশাহী থেকে সরকার কর্তৃক প্রকাশিত ""দৈনিক বার্তা''-র উর্ধ্বতন সহকারী সম্পাদক পদে কর্মরত থাকাবস্থায় ১৯৮৩ সালে ঐ পত্রিকার সম্পাদকের পদ অলংকিত করেন। তিনি মোট পাঁচটি বিখ্যাত বই অনুবাদ করেছেন। মোসলেম আলী বিশ্বাস ১৯৯৪ সালের ২৮ মার্চ মৃত্যুবরণ করেন। তার পিতা বিলাত আলী বিশ্বাস ও মাতা হায়াতন নেছা ও স্ত্রী আবেদা বেগম। তিনি সাত সন্তানের জনক।

 


 


 


 

মিঞা মোঃ মনসুর আলী

১৯৩০ সালের ১ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। পিতা জসিমুদ্দিন আহমদ, মা রাহেলা খাতুন। চুয়াডাঙ্গার রাহেলা খাতুন বালিকা বিদ্যালয় ও ঝিনাইদহ জেলার সাবদারপুরের মনসুর একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা। আলমডাঙ্গা কলেজ বিজ্ঞানাগার নির্মাণসহ বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তিনি পৃষ্ঠপোষক। ১৯৬৫-১৯৬৯ সালে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ এবং ১৯৭৯-১৯৮২ সালে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯১ সালে তিনি সংসদ সদস্য হিসাবে সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।


 


 


 


 

মোহাম্মদ শাহজাহান

১৯৩৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। মা শুভতারা ও পিতা খোদাদাদ হোসেন। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে স্থানীয় প্রতিবাদকারীদের মধ্যে তিনি অন্যতম। মোহাম্মদ শাহজাহান মুক্তিযুদ্ধের একজন বিশিষ্ট সংগঠক। ১৯৭২ সালে আই.এল.ও. সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। তিনি ১৯৮৮ সালে সদস্য নির্বাচিত হন।


 


 


 


 

সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার (ছেলুন)

তিনি ১৫-৩-১৯৪৬ সালে চুয়াডাঙ্গা জেলায় জন্ম গ্রহণ করেন। ১৯৬৩ সালে ছাত্রলীগে যোগদানের মাধ্যমে রাজনৈতিক কর্মকান্ড শুরু করেন। তিনি একজন ক্রীড়া সংগঠক। তিনি মহাকুমা ক্রীড়া সংস্থা ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালে মানণীয় সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি ৬৯ এর গণঅভ্যথ্থানে চুয়াডাঙ্গা'র নেতৃত্বদেন এবং ৭১ এর মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে সংগঠকের দায়িত্ব পালন করেন।


 

   

জানকী নাথ ঘোষাল

দামুড়হুদা উপজেলার অন্তর্গত জয়রামপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতার নাম জয়চন্দ্র ঘোষাল। কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে পরিচিত। বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভগ্নী স্বর্ণকুমারীর সাথে প্রণয় সূত্রে আবদ্ধ হন। শিয়ালদাহ ও লাল বাজার কোর্টে অনারারী ম্যাজিষ্ট্রেট ছিলেন।


 


 


 


 


 

কালী প্রসন্ন চট্টোপাধ্যায়

১৮৬৪ সালে লোকনাথপুর গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। সাংবাদিকতা ও সাহিত্য চর্চাকে তিনি জীবিকা হিসাবে গ্রহণ করেন। বসুমতি পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। ১৮৯৭ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।


 


 


 


 

সাবিত্রী প্রসন্ন চট্টোপাধ্যায়

১৮৯৪ সালে লোকনাথপুর জন্ম গ্রহণ করেন। এম. এ. পাশ করার পর রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন এবং কারারুদ্ধ হন। কবি নজরুল ইসলামের সাথে তার সখ্যতা ছিল। ১৯৬৫ সালের ২৩ মার্চ তাঁর মৃত্যু হয়।


 


 


 


 

নফর চন্দ্র পাল চৌধুরী

এই বংশের প্রতিষ্ঠাতা কৃষ্ণপানত্দি বাজানুগ্রহে পাল চৌধুরী উপাধি প্রাপ্ত হন। তাঁর বংশধরগণ জমিদারী ব্যবসায় বিশেষ অবদান রাখেন। প্রজারঞ্জক জমিদার হিসাবে তাঁর অনেক সুখ্যাতি আছে। নাটুদহ গ্রামে তাঁর অনেক কীর্তি বিরাজমান আছে।


 


 


 


 

অশোক কুমার

ভারতের বোম্বে চলচ্চিত্রের অন্যতম বিখ্যাত অভিনেতা অশোক কুমার এর পৈত্রিক নিবাস দামুড়হুদা উপজেলার কুলাড়গাছী গ্রামে। তাঁর পিতা কাঞ্জিলাল গাঙ্গুলী ভাগলপুরে ওকালতি করতেন। সেখানে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। লেখাপড়া শিখে চলচ্চিত্রের প্রতি আকৃষ্ট হন এবং অভিনয় করে খ্যাতির শীর্ষে আরোহণ করেন। সম্প্রতি তিনি পরলোকগমন করেন।


 


 


 


 

স্বর্ণকুমারী দেবী

দামুড়হুদা উপজেলার বধূ স্বর্ণকুমারী দেবী ১৮৫৫ সালে কলকাতায় জন্ম গ্রহণ করেন। পিতার নাম দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। জয়রামপুর গ্রামের জানকীনাথ ঘোষালের সাথে তাঁর বিয়ে হয়। তিনি স্বামীসহ কলকাতায় বসবাস করেন। ১৯৩২ সালের ৩ জুলাই তারিখে তিনি ইহধাম ত্যাগ করেন।


 


 


 


 

শ্রীহরি রায়

দামুড়হুদা উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের শ্রীহরি রায় একজন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব। ১৮৬০ সালের নীল বিদ্রোহে নেতৃত্ব দিয়ে নীলকরদের নীল চাষের ব্যবসা ধ্বংস করে দেন।


 


 


 


 

ডঃ রাধা বিনোদ পাল

আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন রাধা বিনোধ পাল এর মাতুল বাড়ী দামুড়াহুদা উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামে।


 


 


 


 

মোঃ আলী আজগর(টগর)

তিনি একজন বিশিষ্ট শিল্পপতি। তিনি ২০০৮ সালে মাননীয় সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।


 

   
   

খোদাবকস্ শাহ

১৩৩৪ বঙ্গাব্দে আলমডাঙ্গা উপজেলার জাঁহাপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। মা ব্যাশোরণ নিচা, বাবা কফিলউদ্দিন বিশ্বাস। বাল্যবয়য় থেকেই সঙ্গীতের প্রতি সহজাত আসক্তি ছিল। পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ে বিদ্যালয়ের পাঠ চুকিয়ে কৃষ্ণযাত্রার দলে যোগ দেন। একদিন গ্রামের আসরে বাউল গান শুনে চমকে উঠলেন। সেদিনই শুকচাঁদ সাঁঈ’র কাছে মুরিদান গ্রহণ করেন। পরে অমূল্য সাঁঈ’র কাছে সঙ্গীতে তালিম নেন। অসাধারণ সুরেলা কন্ঠের গুণে অচিরেই ভাবসঙ্গীতে বিশেষ দক্ষতা অর্জন করেন।

(লালন সংগীতের উপর ২১শে পদক প্রাপ্ত)।


 


 


 


 

কালি প্রসন্ন চট্টোপাধ্যায়

জয়রামপুর থেকে প্রকাশিত মাসিক পত্রিকা "পরিনাম" এর সম্পাদক ছিলেন। পরে কলকাতার বহুল প্রচারিত সাপ্তাহিক বসুমতি পত্রিকার সম্পাদক হন। তাঁর রচিত গ্রন্থগুলির মধ্যে যোগিনী জীবন, দৈববাণী, সৈনিক, সীমানত্দনী, সর্বাজী, লালণ্যলতা, শর্বরী, সংসার, ভবানী ঠাকুর প্রভৃতি প্রন্থ রচনা করেন।


 


 


 


 

সাবিত্রী প্রসন্ন

প্রখ্যাত সাংবাদিক ও কবি হিসাবে সুপরিচিত ছিলেন। শেষ জীবনে তিনি কলকাতা বিশ্ব বিদ্যালয়ের বাংলা ভাষার অধ্যাপক নিযুক্ত হন।


 


 


 


 

স্বর্ণকুমারী

কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চতুর্থ বোন। জয়রামপুর গ্রামে তাঁর বিয়ে হয়। তিনিই বাংলা সাহিত্যে সর্বপ্রথম মহিলা উপন্যাসিক। তাঁর রচিত গ্রন্থগুলি হল-দীপান্বিতা, ছিন্নমুকুল, মেবার রাজ, বিচিত্রা এবং স্বপনযাত্রী। স্নেহলতা তাঁর শ্রেষ্ঠ উপন্যাস। তাঁর কন্যা সরলা দেবীও একজন সুলেখিকা ছিলেন। স্বর্ণকুমারী 'ভারতী' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।


 


 


 


 

এম, ইব্রাহিম

দামুড়হুদা উপজেলার কোমরপুর গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। চুয়াডাঙ্গা অনুশীলন সমিতির সম্পাদক ছিলেন। তিনি বিভিন্ন উপন্যাস, নাটক ও কাব্যগ্রন্থ প্রকাশ করেন। তাঁর রচিত উপন্যাস ঞ্ছজিহালার হাটঞ্জ সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়। ১৯ ডিসেম্বর, ২০০০ সালে তিনি মৃতু্যবরণ করেন।


 


 


 


 

এম, এ বকর

দামুড়হুদা উপজেলার পাটাচোরা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন। দৈনিক রাজধানীর সাথে যুক্ত ছিলেন। নিজ উদ্যোগে অনেক স্মরণীকা প্রকাশ করেন। চুয়াডাঙ্গা জেলার ইতিহাস সংগ্রহে অবদান রাখেন। তাঁর রচিত গ্রন্থের মধ্যে "একটি জেলা চুয়াডাঙ্গা" অন্যতম।